১০:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

মতলব উত্তরে ৮ মাসে ১১৯ নিখোঁজের জিডি, উদ্ধার ১০৫ জন

alokitopatrika
  • আপডেট সময় : ০১:০০:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
  • / ৫২৯ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক

চাঁদপুরের মতলব উত্তর থানায় চলতি বছরের গত আট মাসে নারী-পুরুষ নিখোঁজ সংক্রান্ত ১১৯টি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হয়েছে। এর মধ্যে অধিকাংশই নারী। এসব ঘটনার মধ্যে ১০৫ জনকে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে মতলব উত্তর থানা পুলিশ।

উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের একাধিক পরিবারের সদস্যরা জানান, থানা পুলিশের আন্তরিক ও দ্রুত কার্যক্রমের কারণে তারা স্বস্তি ফিরে পেয়েছেন। এ জন্য তারা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

থানার এ পরিসংখ্যান স্থানীয় সচেতন মহলে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। তাদের মতে, নারী ও কিশোরীদের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা শুধু আইন-শৃঙ্খলার বিষয় নয়; এটি সামাজিক ও পারিবারিক সচেতনতার সঙ্গেও গভীরভাবে সম্পৃক্ত।

স্থানীয়দের ভাষ্য, অনেক ক্ষেত্রে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অপরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার, পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের অভাব, পারিবারিক নজরদারির ঘাটতি এবং পারিবারিক কলহের মতো বিভিন্ন কারণ এ ধরনের ঘটনার পেছনে ভূমিকা রাখছে। ফলে অনেক পরিবারকে চরম উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে।

সচেতন নাগরিকদের মতে, সন্তানদের চলাফেরা ও অনলাইন কার্যক্রমে অভিভাবকদের নিবিড় নজরদারি, নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার প্রসার, পারিবারিক বন্ধন সুদৃঢ় করা এবং মোবাইল ফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে এ ধরনের ঘটনার ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব। পাশাপাশি কেউ নিখোঁজ হলে সময় নষ্ট না করে দ্রুত থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পরামর্শ দেন তারা।

এ বিষয়ে মতলব উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল হাসান বলেন, “চলতি বছরের গত আট মাসে নিখোঁজ সংক্রান্ত ১১৯টি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হয়েছে। এর মধ্যে ১০৫ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। অবশিষ্ট ঘটনাগুলোর অনুসন্ধান ও আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।”

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

মতলব উত্তরে ৮ মাসে ১১৯ নিখোঁজের জিডি, উদ্ধার ১০৫ জন

আপডেট সময় : ০১:০০:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক

চাঁদপুরের মতলব উত্তর থানায় চলতি বছরের গত আট মাসে নারী-পুরুষ নিখোঁজ সংক্রান্ত ১১৯টি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হয়েছে। এর মধ্যে অধিকাংশই নারী। এসব ঘটনার মধ্যে ১০৫ জনকে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে মতলব উত্তর থানা পুলিশ।

উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের একাধিক পরিবারের সদস্যরা জানান, থানা পুলিশের আন্তরিক ও দ্রুত কার্যক্রমের কারণে তারা স্বস্তি ফিরে পেয়েছেন। এ জন্য তারা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

থানার এ পরিসংখ্যান স্থানীয় সচেতন মহলে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। তাদের মতে, নারী ও কিশোরীদের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা শুধু আইন-শৃঙ্খলার বিষয় নয়; এটি সামাজিক ও পারিবারিক সচেতনতার সঙ্গেও গভীরভাবে সম্পৃক্ত।

স্থানীয়দের ভাষ্য, অনেক ক্ষেত্রে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অপরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার, পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের অভাব, পারিবারিক নজরদারির ঘাটতি এবং পারিবারিক কলহের মতো বিভিন্ন কারণ এ ধরনের ঘটনার পেছনে ভূমিকা রাখছে। ফলে অনেক পরিবারকে চরম উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে।

সচেতন নাগরিকদের মতে, সন্তানদের চলাফেরা ও অনলাইন কার্যক্রমে অভিভাবকদের নিবিড় নজরদারি, নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার প্রসার, পারিবারিক বন্ধন সুদৃঢ় করা এবং মোবাইল ফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে এ ধরনের ঘটনার ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব। পাশাপাশি কেউ নিখোঁজ হলে সময় নষ্ট না করে দ্রুত থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পরামর্শ দেন তারা।

এ বিষয়ে মতলব উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল হাসান বলেন, “চলতি বছরের গত আট মাসে নিখোঁজ সংক্রান্ত ১১৯টি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হয়েছে। এর মধ্যে ১০৫ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। অবশিষ্ট ঘটনাগুলোর অনুসন্ধান ও আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।”