১০:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

সেহলী পারভীন-ই হিউম্যান এইড এর প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব —মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট

alokitopatrika
  • আপডেট সময় : ১১:২২:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
  • / ৫৩৭ Time View

 

এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ
মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান এইড অ্যান্ড ট্রাস্ট ইন্টারন্যাশনালের (নিক নেম: হিউম্যান এইড ইন্টারন্যাশনাল) প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব সেহলী পারভীন সুপ্রিম কোর্টের রায়কে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, সত্যের জয় হয়েছে।

সেহলী পারভীন বলেন, “দেশবাসী জানেন— হিউম্যান এইড অ্যান্ড ট্রাস্ট ইন্টারন্যাশনালের প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি ৯ বছর ধরে । গঠনতন্ত্রে সংস্থাটির নিক নেম- হিউম্যান এইড ইন্টারন্যাশনাল।”

তিনি আরও বলেন, “কতিপয় স্বার্থান্বেষী সহযোদ্ধাদের লোভ ও ষড়যন্ত্রের কারণে সংস্থাটির মহাসচিব পদটি বারবার বিতর্কের মুখে পড়েছে কিন্তু আমি কখনো কাউকে অভিযুক্ত করার চেষ্টা করিনি। কারণ— ওদেরকে আমিই শিখিয়েছিলাম; মানবাধিকার কী এবং কেন এই কাজ করতে হবে!”

২০ বছরের অভিজ্ঞতা ও আইনি স্বীকৃতি:
সেহলী পারভীন জানান, মানবাধিকার সেক্টরে তাঁর কর্মজীবন ২০ বছরের। কিন্তু হিউম্যান এইড এর অফিসিয়াল যাত্রা শুরু হয় ২০১৮ সালে জাতীয় গোয়েন্দা বিভাগ এনএসআইয়ের ছাড়পত্র ও জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ ও ফার্মসের রেজিস্ট্রেশন (S-12847) এর মাধ্যমে। সাবমিশন কার্যক্রম শুরু হয় ২০১৬ সালে এবং ২০১৪ সালে সংস্থার নামটি জয়েন্ট স্টক থেকে কিনে রেখেছিলেন সেহলী পারভীন।

সহকারী মহাসচিব এডভোকেট নাসির উদ্দিন এর দায়ের করা মামলায় হাইকোর্ট ডিভিশনের রায়ে স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে যে, সংস্থার সূচনালগ্ন থেকেই সেহলী পারভীন মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

স্বাক্ষর জালিয়াতি ও সিআইডি প্রতিবেদন:
সেহলী পারভীন বলেন, “যারা আমার স্বাক্ষর নকল করে আমাকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ দেখিয়ে নতুন করে নিজেদের মহাসচিব দাবি করেছেন— তারা নিজেরা নিজেদের ক্ষতি করেছেন। বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা বিভাগ সিআইডি’র তদন্ত কর্মকর্তার তদন্ত প্রতিবেদনের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে যে, আমিই প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব এবং আমি কখনো কোনো পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করিনি। আমি উক্ত প্রতিষ্ঠানে মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি এবং করছি।”
তিনি আরও জানান, “আরও চমকপ্রদ তথ্য ও খবর আসছে…”

সুপ্রিম কোর্টের এই রায়কে অনেকে ‘সত্যের কল বাতাসে নড়ে’ বলে অভিহিত করেছেন। সেহলী পারভীন এর সমর্থক ও সারাদেশের কর্মীরা এই রায়কে সংস্থাটির স্বচ্ছতা ও আইনি বৈধতার বড় জয় হিসেবে দেখছেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

সেহলী পারভীন-ই হিউম্যান এইড এর প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব —মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট

আপডেট সময় : ১১:২২:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

 

এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ
মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান এইড অ্যান্ড ট্রাস্ট ইন্টারন্যাশনালের (নিক নেম: হিউম্যান এইড ইন্টারন্যাশনাল) প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব সেহলী পারভীন সুপ্রিম কোর্টের রায়কে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, সত্যের জয় হয়েছে।

সেহলী পারভীন বলেন, “দেশবাসী জানেন— হিউম্যান এইড অ্যান্ড ট্রাস্ট ইন্টারন্যাশনালের প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি ৯ বছর ধরে । গঠনতন্ত্রে সংস্থাটির নিক নেম- হিউম্যান এইড ইন্টারন্যাশনাল।”

তিনি আরও বলেন, “কতিপয় স্বার্থান্বেষী সহযোদ্ধাদের লোভ ও ষড়যন্ত্রের কারণে সংস্থাটির মহাসচিব পদটি বারবার বিতর্কের মুখে পড়েছে কিন্তু আমি কখনো কাউকে অভিযুক্ত করার চেষ্টা করিনি। কারণ— ওদেরকে আমিই শিখিয়েছিলাম; মানবাধিকার কী এবং কেন এই কাজ করতে হবে!”

২০ বছরের অভিজ্ঞতা ও আইনি স্বীকৃতি:
সেহলী পারভীন জানান, মানবাধিকার সেক্টরে তাঁর কর্মজীবন ২০ বছরের। কিন্তু হিউম্যান এইড এর অফিসিয়াল যাত্রা শুরু হয় ২০১৮ সালে জাতীয় গোয়েন্দা বিভাগ এনএসআইয়ের ছাড়পত্র ও জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ ও ফার্মসের রেজিস্ট্রেশন (S-12847) এর মাধ্যমে। সাবমিশন কার্যক্রম শুরু হয় ২০১৬ সালে এবং ২০১৪ সালে সংস্থার নামটি জয়েন্ট স্টক থেকে কিনে রেখেছিলেন সেহলী পারভীন।

সহকারী মহাসচিব এডভোকেট নাসির উদ্দিন এর দায়ের করা মামলায় হাইকোর্ট ডিভিশনের রায়ে স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে যে, সংস্থার সূচনালগ্ন থেকেই সেহলী পারভীন মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

স্বাক্ষর জালিয়াতি ও সিআইডি প্রতিবেদন:
সেহলী পারভীন বলেন, “যারা আমার স্বাক্ষর নকল করে আমাকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ দেখিয়ে নতুন করে নিজেদের মহাসচিব দাবি করেছেন— তারা নিজেরা নিজেদের ক্ষতি করেছেন। বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা বিভাগ সিআইডি’র তদন্ত কর্মকর্তার তদন্ত প্রতিবেদনের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে যে, আমিই প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব এবং আমি কখনো কোনো পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করিনি। আমি উক্ত প্রতিষ্ঠানে মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি এবং করছি।”
তিনি আরও জানান, “আরও চমকপ্রদ তথ্য ও খবর আসছে…”

সুপ্রিম কোর্টের এই রায়কে অনেকে ‘সত্যের কল বাতাসে নড়ে’ বলে অভিহিত করেছেন। সেহলী পারভীন এর সমর্থক ও সারাদেশের কর্মীরা এই রায়কে সংস্থাটির স্বচ্ছতা ও আইনি বৈধতার বড় জয় হিসেবে দেখছেন।