নিজস্ব প্রতিবেদক
পূর্ব বিরোধের জেরে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর কর্মী মোঃ জাকারিয়া (৩২)কে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে, চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল ইউনিয়নের পশ্চিম লালপুর গ্ৰামে। মোঃ জাকারিয়া পশ্চিম লালপুর গ্ৰামের মোঃ অলিউল্লাহর ছেলে। মতলব উত্তর থানায় এ সংক্রান্ত দুটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থার নেয়ার আশ্বাস ওসির।
মোঃ জাকারিয়া মতলব উত্তর থানায় ১৩ আগস্ট এ ব্যাপারে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পশ্চিম লালপুর গ্ৰামের মৃত. রশিদ মিয়াজীর ছেলে মোজাম্মেল মিয়াজী (৪৫), নুরু মিয়াজীর ছেলে জাহিদ মিয়াজী (৩৪) ও মৃত. রশিদ মিয়াজীর ছেলে মাইন উদ্দিন মিয়াজী (৩৮) পূর্ব বিরোধের জের ধরিয়া দেশীয় অস্ত্র কাচঁতে নিয়ে মোঃ জাকারিয়ার উপর হামলা করে।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করেন, জায়গা জমি সংক্রান্তে বর্ণিত বিবাদীদের সাথে দীর্ঘদিন যাবত বিরোধ চলিয়া আসিতেছে। উক্ত বিরোধকে কেন্দ্র করিয়া বর্ণিত বিবাদীরা প্রায় সময় মোঃ জাকারিয়া ও তার পরিবারের লোকজনদের মৃত্যুর হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে। মোঃ জাকারিয়া গত ২ আগস্ট থেকে ২১ আগস্ট পর্যন্ত ২০ দিনের বাৎসরিক ছুটিতে বাড়িতে আসে। ১৩ আগস্ট সকাল ৯টায় পশ্চিম লালপুর বেরিবাঁধ সংলগ্ন স্থানে কথথোপথনের একপর্যায় মোজাম্মেল মাথায় আঘাত করে। অন্যান্য বিবাদীরা পূর্ব বিরোধের জের ধরিয়া দেশীয় অস্ত্র কাচঁতে নিয়ে জাকারিয়ার উপর হামলা করে। পরবর্তীতে প্রধান সড়ক থেকে টেনে হিচড়ে ক্যানালের পানিতে নিয়ে যায়। বিবাদীরা পানিতে ডুবিয়ে মারার উদ্দেশ্যে নিয়ে যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন মোঃ জাকারিয়া। পানিতে নিয়ে ধরে উপরে বসে ছিল। পরবর্তীতে জাকারিয়ার কাকা ও বাবাসহ অন্যান্যরা জাকারিয়ার উপর থেকে বিবাদীদের সরায়ে প্রাণে রক্ষা করে। টেনে হিচড়ে নেওয়ার সময় বাম হাতের তর্জনী ভেঙ্গে যায় ও উভয় হাতে, দুই পাঁয়ের হাটু, বাম পাঁয়ের উরুতে ক্ষত বিক্ষত হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করে।
এ ঘটনার পর মোঃ জাকারিয়া মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে উন্নত আধুনিক চিকিৎসার জন্য সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ) এ চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মোজাম্মেল হক বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। উপরন্তু মোঃ জাকারিয়া সরকারী চাকুরীর ভয় দেখিয়ে আসে। আমার উপর দা দিয়ে হামলা করে আহত করেছে। আমিও মতলব উত্তর থানায় তার বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ করেছি।
মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ কামরুল হাসান বলেন, এ সংক্রান্ত দুটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।